শুভেন্দু, হুমায়ুন তরজার মাঝে সম্প্রীতির নিদর্শন বাসন্তীর তৃণমূল নেতার!

শুভেন্দু, হুমায়ুন তরজার মাঝে সম্প্রীতির নিদর্শন বাসন্তীর তৃণমূল নেতার! 



নুরসেলিম লস্কর, বাসন্তী : রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর মুসলিম বিধায়কদের সম্পর্কে করা মন্তব্যের পর থেকে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের পর রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা আর সমালোচনার সেই আগুনে ঘি ঢেলে আগুনের মাত্রা ক্রমে বাড়িয়ে চলেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমাহুন কবীর। তাঁর জন্য অবশ্যই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে ভরতপুরের বিধায়ক কে শোকজও করা হয়েছে এতিমধ্যেই।


তবে, শনিবার শুভেন্দু অদিকারী ও হুমায়ুন কবীর দের ঠিক উল্টো পথে হেঁটে সম্প্রীতির নয়া নিদর্শন রাজ্যবাসীর সামনে তুলে ধরলেন বাসন্তীর তৃণমূল নেতা তথা বাসন্তী পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত: কর্মাধ্যক্ষ নুর এলাহী গাজী (রাজা গাজী)। এদিন তিনি হাজারও কর্ম ব্যাস্ততার পরেও সন্ধ্যায় পৌঁচ্ছে গিয়েছিলেন বাসন্তীর আমঝাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তালদা শিকারী মাস্টার পাড়ার রক্ষাকালী পূজার অনুষ্ঠানে। সেখানে পূজা কমিটির পক্ষ থেকে রাজা গাজীকে ফুল, চন্দনের ফোঁটা দিয়ে বরণ করে নেন কমিটির সদস্য, সদস্যারা। আর রাজা গাজী এদিনের এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে বলেন, "আমরা এক বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু-  মুসলমান "তাই কেউ কোন রকম প্ররোচনায় পা দেবেন না! আমরা সবাই ভাই ভাইয়ের মতো যেমন ছিলাম, তেমনি থাকবো। কারণ,এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম মমতা ব্যানার্জী "। আর বাসন্তীর কথা বলতে গেলে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা কে দেখা যায় বার বার এই রাজা গাজী কে আক্রমণ করতে তবে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো এদিনের এই অনুষ্ঠানে একবারও শুভেন্দু অধিকারীর নাম মুখে আনেননি রাজা গাজী। আর রাজার এদিনের এই সাম্প্রদায়িকতার রং ধুয়ে যেভাবে রাজকীয় ভাবে সম্প্রীতির বার্তা দিলেন তাতে স্বাভাবিক ভাবেই খুশি ঐ পূজা কমিটির সদস্য, সদস্যারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত আরো বিশিষ্টজনেরা। যেমন এদিনের এই অনুষ্ঠানে অথিতি হিসাবে উপস্থিত থাকা সুন্দরবনের কবি তথা বিশিষ্ট সমাজ সেবী ফারুক আহমেদ সরদার বললেন," বর্তমানে যখন রাজ্য জুড়ে সাম্প্রদায়িকতার বিষে বিষিয়ে যাচ্ছে আমাদের সমাজ তখন সত্যি বলতে রাজার মতো এরকম সম্প্রীতির রাজনীতি করার মতো নেতা দের খুবই প্রয়োজন সমাজে"।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন